ক্যান্সার-ডায়াবেটিস-গ্যাস্ট্রিকের মহৌষধ আলুর রস,(ব্যবহার পদ্ধতি জেনে নিন)

লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য

মহৌষধ আলুর রসঃ (juice) আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান ও নতুন নতুন সব ঔষধের চাইতে অনেক অনেক বেশি কাজের ও ঔষধি গুণসম্পন্ন এই উপাদানটির কার্যক্ষমতা শুনলে চমকে উঠবেন যে কেউ! ডায়াবেটিস, গ্যাস্ট্রিক বা গ্যাস্ট্রাইটিস, নিম্ন রক্তচাপ, উত্তেজনা,

এমনকি ক্যান্সারের (cancer) মতো প্রাণঘাতী রোগেও আলুর রসের (juice) রয়েছে চমৎকার রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা। কাঁচা আলুর রসের (juice) ঔষধি ক্ষমতা স্বীকৃতি পেয়ে আসছে কয়েকশ’ বছর ধরে। আর বিশ্বের পুরো একটি প্রজন্মের মানুষ অসংখ্য গুরুতর রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করেছেন কাঁচা আলুর রস (juice)।

তবে এখনো কাঁচা আলুর রস (juice)পানের উপযোগিতা নিয়ে খানিকটা সন্দেহ রয়েই গেছে, যাকে মানুষের ইতিহাসে অন্যতম বড় ভুল বললেও কম বলা হবে। কারণ কাঁচা আলুর রসে (juice)সত্যিই অসাধারণ সব স্বাস্থ্য গুনাগুন রয়েছে।

আলু ব্যবহারের আগে খোসা ছাড়িয়ে নিন, বিশেষ করে যদি আলুর কোনো অংশ সবুজ হয়ে থাকে কিংবা অঙ্কুর বেরিয়ে থাকে, তাহলে সেদিকটা ফেলে দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। কারণ এই অংশটি বিপজ্জনক ও বিষাক্ত। এরপর রস বের করে নিন।

এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও গবেষকরা বলছেন, আধুনিক যুগে খুব সাধারণ একটি স্বাস্থ্যসমস্যা গ্যাস্ট্রিটিসের প্রাকৃতিক চিকিৎসা হলো কাঁচা আলুর রস। বিশেষ করে এক টেবিলচামচ তাজা আলুর রসের (juice) সঙ্গে খানিকটা পানি মিশিয়ে পান করা গেলে এর প্রভাব হবে অসাধারণ।

প্রতিবার মূল খাবারের আধা ঘণ্টা আগে একবার এ পানীয় পান করতে হবে। যদি পাকস্থলীর সমস্যা বা আলসারের মতো রোগে ভোগেন, তাহলে যেকোনোকিছু খাওয়ার বা পান করার আগেই এ পানীয় পান করুন।

জাপানের আকিতা ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের অধ্যাপক ড. কাগামাইন কাঁচা আলুর রসের (juice) বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের ওপর গবেষণার লেখক। আলুর রসের (juice)একটি এমন উপাদানের কথা তিনি জানতে পেরেছেন, যা গবেষণায় ব্যবহৃত ইঁদুরের ক্যান্সারের(cancer) কোষ মেরে ফেলেছে। অর্থাৎ ক্যান্সার (cancer)জাতীয় টিউমার ছোট করে আনতে এবং ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অত্যন্ত কার্যকর এ উপাদানটি। গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত করেছে জার্মানিতে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস।

ক্ক (কিডনি) ও যকৃতের (লিভার) সমস্যায়, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, কোমরের ব্যথা, বাতরোগের চিকিৎসায় কাঁচা আলুর রসের (juice)কার্যকারিতা আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে নিশ্চিত হওয়ায় এই পানীয়টি দিন দিন আরো বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

এছাড়া আরো নানা রোগের চিকিৎসার পাশাপাশি বিপাকক্রিয়া ভালো রাখতে চমৎকার কাজ করে আলুর রস (juice)। ওজন বেশি, কিংবা সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন? মাঝারি আকৃতির একটি আলু, কয়েকটি গাজর আর আপেলের রস একসঙ্গে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে এবং ঘুমাতে যাওয়ার আগে একবার খান। দু’ সপ্তাহে নিজের তারুণ্যকে এক অন্য মাত্রায় দেখতে পাবেন।

এছাড়া শরীর থেকে নানারকম বিষাক্ত উপাদান বের করে দেওয়া, প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান দেহে সরবরাহ করা, নানারকম চর্মরোগের চিকিৎসায়-ত্বক সুস্থ রাখতে-সৌন্দর্য্য বর্ধন-ব্রন ও ব্ল্যাকহেডসমুক্ত ত্বকের জন্য, তারুণ্য ধরে রাখতে,

অকালবার্ধক্য রোধে, রক্তে চিনির পরিমাণ কমাতে এবং কার্ডিওভাস্কুলার যেকোনো রোগে আলুর রস (juice)দারুণ কার্যকর। আলুর খোসা ভিটামিন সি ও বি-৬ সমৃদ্ধ। এতে রয়েছে আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, জিঙ্ক, প্রোটিন, কার্যোহাইড্রেটসহ অসংখ্য পুষ্টি গুনাগুন।

নিয়মিত আলুর রস (juice) পানের ক্ষেত্রে একটি নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। সবসময় তাজা আলুর রস বের করে নিয়ে তা সতেজ থাকতে থাকতেই পান করে নিতে হবে। এবং বাড়তি পুষ্টি উপাদান যোগ করতে অন্যান্য ফল বা কাঁচা সবজি বা লেবুর রস কিংবা মধুর সঙ্গেও আলুর রস (juice)যোগ করে নিতে পারেন।

বৌদ্ধ ভিখু তোমিযাওয়া ‘দ্য রোড টু আ হেলদি লাইফস্টাইল: ক্যান্সার (cancer)ইজ নাথিং টু ফিয়ার’ বইয়ে লিখেছেন, প্রতিদিন দু’ কাপ তাজা আলুর রস (juice) পান ক্যান্সার (cancer)ও অন্যান্য প্রাণঘাতী রোগের চিকিৎসায় মহৌষধের চেয়ে কম নয়।

মেয়েরা যদি ছেলেদের বীর্য (sperm)পান করে তাহলে কি গর্ভবতী হতে পারে ? উত্তর জেনে নিন..অনেকেই এরকম প্রশ্ন করেন যে মেয়েরা যদি ছেলেদের বীর্য পান করে তাহলে কি গর্ভবতী হওয়ার কোন সম্ভাবনা আছে? অথবা বীর্য (sperm)পান করলে কোনো প্রকার ক্ষতি হয় কি ? আরো নানান প্রশ্ন।

আসুন জেনে নেই এ সংক্রান্ত কিছু তথ্যাদি যা হয়ত আমরা অনেকেই জানি না।কোনো মেয়ে যদি কোনো পুরুষের বীর্য(sperm) পান করে তাহলে তার গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা নেই।যার বীর্য (sperm)পান করা হচ্ছে যদি ঐ পুরুষের কোন যৌন রোগ থাকে বা সে যদি অপরিচ্ছন্ন জীবনযাপন করে থাকে সেক্ষেত্রে বিভিন্ন যৌনরোগ এমন কি মুখে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে।

সার্বিক বিবেচনায় যৌনরোগ বা ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার চেয়ে তা প্রতিরোধ করাই বিজ্ঞতার পরিচায়ক।ধর্মীয় বিধি নিষেধে এরকম কাজ এবং ওরাল সেক্স করতে নিরুতসাহিতকরা হয়েছে। একে অস্বাভাবিক ও অনুচিত বলেছেন প্রায় সবাই।

যদিও ডাক্তারদের ভেতরে এ নিয়ে মতভেদ আছে। খুব কম সংখ্যক ডাক্তার বলেন যে এতে কোন ক্ষতি নেই যেহেতু বীর্যে (sperm)মূলত প্রোটিন থাকে কন্তু এই পরিমান প্রোটিনে মানুষের শরীরের কোন উপকার হয় না।

কিন্তু পুরু বিষয়টি সৃষ্টির শ্রেষ্ঠজীব হিসেবে আমাদের নিজেদেরই বুঝে নিতে হবে। কারণ, আজকাল পত্রিকার পাতা খুললেই দেখা যায় বিশ্বের নামী দামী সিনেমা তারকারা এসব করতে গিয়ে একসময় মুখের নানা প্রকার মারাত্মক সব ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে। অন্তত তাদের থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *